প্রশ্নঃ স্বত্ববিলোপ নীতি বলতে কি বোঝায়? লর্ড
ডালহৌসী ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিস্তারের ক্ষেত্রে এই নীতিকে কীভাবে প্রয়োগ
করেছিলেন?
উত্তরঃ স্বত্ববিলোপ নীতিঃ স্বত্ববিলোপ নীতির মূল
কথা ছিল এই যে, ইংরেজদের আশ্রিত কোনো রাজ্যের উত্তরাধিকারী না থাকলে সে রাজ্যের
ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করা হবে এবং দত্তকপুত্রের উত্তরাধিকার স্বীকার করা হবে না।
লর্ড ডালহৌসী স্বত্ববিলোপ নীতি প্রবর্তন করেন।
ডালহৌসী স্বত্ববিলোপ নীতি ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করে রাজ্য বিস্তারে উদ্যোগী হন। দত্তক প্রথা প্রয়োগ করার ব্যাপারে, তিনি দেশীয় রাজ্যগুলিকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করেন, যথা – (১) কোম্পানির সৃষ্ট দেশীয় রাজ্য; (২) কোম্পানির অধীনে করদ রাজ্য এবং (৩) স্বাধীন দেশীয় রাজ্য। ডালহৌসী এক নির্দেশনামা ঘোষণা করে প্রথম শ্রেণীর দেশীয় রাজ্যগুলিকে দত্তক-প্রথা নিষিদ্ধ করেন; দ্বিতীয় শ্রেণীর রাজ্যে কোম্পানির অনুমতি ছাড়া দত্তক গ্রহণ করা নিষিদ্ধ করেন এবং স্বাধীন দেশীয় রাজ্যগুলিতে দত্তক-প্রথা বহাল রাখেন। ডালহৌসীর এই নির্দেশনামা স্বত্ববিলোপ নীতি (doctrine of lapse) নামে খ্যাত।
ডালহৌসী স্বত্ববিলোপ নীতি ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করে রাজ্য বিস্তারে উদ্যোগী হন। দত্তক প্রথা প্রয়োগ করার ব্যাপারে, তিনি দেশীয় রাজ্যগুলিকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করেন, যথা – (১) কোম্পানির সৃষ্ট দেশীয় রাজ্য; (২) কোম্পানির অধীনে করদ রাজ্য এবং (৩) স্বাধীন দেশীয় রাজ্য। ডালহৌসী এক নির্দেশনামা ঘোষণা করে প্রথম শ্রেণীর দেশীয় রাজ্যগুলিকে দত্তক-প্রথা নিষিদ্ধ করেন; দ্বিতীয় শ্রেণীর রাজ্যে কোম্পানির অনুমতি ছাড়া দত্তক গ্রহণ করা নিষিদ্ধ করেন এবং স্বাধীন দেশীয় রাজ্যগুলিতে দত্তক-প্রথা বহাল রাখেন। ডালহৌসীর এই নির্দেশনামা স্বত্ববিলোপ নীতি (doctrine of lapse) নামে খ্যাত।
স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগঃ স্বত্ববিলোপ নীতি কঠোরভাবে
প্রয়োগ করে ডালহৌসী (১) প্রথমেই ব্রিটিশ প্রভাবাধীন সাতারা দখল করেন (১৮৪৮ খ্রিঃ)
(২) এরপর ১৮৫৩ সালে নাগপুরের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে তাঁর রাজ্যটি গ্রাস
করা হয়, এক্ষেত্রে ডালহৌসীর যুক্তি ছিল এই যে, নাগপুর রাজ্যটি ইংরেজরাই সৃষ্টি
করেছিল। (৩) ঝাঁসির রাজা গঙ্গাধর রাও-এর প্রয়াণ হলে ডালহৌসী তাঁর দত্তক পুত্রকে
মেনে নিতে রাজি হলেন না এবং ঝাঁসির রানির মতামতকে উপেক্ষা করেই এই রাজ্যটি দখল করা
হল। (৪) এছাড়া ভগৎপুর, করৌলী, সম্বলপুর, উদয়পুর, জৈৎপুর, বাগৎ প্রভৃতি রাজ্যগুলি
একই কারণে গ্রাস করা হয়, যদিও উদয়পুর কোম্পানির সৃষ্টি দেশীয় রাজ্য ছিল না।
যে রাজ্যগুলি স্বত্ববিলোপ নীতির মাধ্যমে অধিগ্রহন হয়েছিল
|
|||||
1
|
জৈন্তিয়া
|
1803
|
16
|
জৈৎপুর
|
1849
|
2
|
কজহিকোড
|
1806
|
17
|
জয়সোয়ান
|
1849
|
3
|
গুলার
|
1813
|
18
|
পাঞ্জাব
|
1849
|
4
|
কন্ননুর
|
1819
|
19
|
সম্বলপুর
|
1849
|
5
|
কিত্তুর
|
1824
|
20
|
সিবা
|
1849
|
6
|
কুতলেহার
|
1825
|
21
|
ঝাঁসি
|
1854
|
7
|
করাচী
|
1830
|
22
|
নাগপুর
|
1854
|
8
|
কোডাগু
|
1834
|
23
|
তুলশিপুর
|
1854
|
9
|
কারনুল
|
1839
|
24
|
উদয়পুর
|
1854
|
10
|
জালাউন
|
1840
|
25
|
আর্কট
|
1855
|
11
|
সুরাট
|
1842
|
26
|
তাঞ্জোর
|
1855
|
12
|
কাংরা
|
1846
|
27
|
বান্ডা
|
1858
|
13
|
কুলু
|
1846
|
28
|
নরগুন্ড
|
1858
|
14
|
অঙ্গুল
|
1848
|
29
|
রামগড়
|
1858
|
15
|
সাতারা
|
1848
|
30
|
মাকরাই
|
1890
|


Thanks
ReplyDelete